অন্যদিকে খবর পেয়ে দ্রুত এসে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিটের দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্তণে আসে আগুন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রান্নাঘর থেকে এ আগুনের সূত্রপাশ হয়েছে। গ্রামটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং উষ্ণ বাতাসের গতিবেগ বেশি হওয়ায় কারণে আগুণ খুব দ্রুত চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে গ্রামটির অনেকেরই ব্যাপন ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইন্সেপেক্টর মোজাম্মেল হক বলেন, আজ সকাল ১১:১৫ মিনিটে অগ্নিকা-ের খবর পেয়ে সাথে সাথে আমাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। প্রাথমিকভাবে গাড়ির পানিতেই আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করি। পরবর্তীতে পাশের একটি জলাশয় থেকে পর্যাপ্ত পানি পেলে মোটামুটি দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।
আগুণের সূত্রপাত নিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এখানকার যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র মতে আগুনটি উৎপত্তি রান্নাঘর থেকে শুরু হয়েছে। আজ বাতাসের বেগ বেশি থাকায় আগুনটা দ্রুত ছড়িয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ঘনবসতি এলাকা হওয়ায় মোটামুটি ২১ টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যা আর্থিকভাবে হিসেব করলে প্রায় ৯ লক্ষ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন তিনি।
https://slotbet.online/
wonderful post, very informative. I wonder why the other experts of this sector do not notice this. You should continue your writing. I am confident, you have a great readers’ base already!