• বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁও প,ই শিক্ষার্থীর দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-৪

Reporter Name / ২৪৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

টাঙ্গন ডেস্ক : ফেসবুকে গ্রুপ খোলাকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ও জুনিয়রদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতরা ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুর রহমান।

ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি গ্রুপ খোলে। যার নাম দেয় জারুয়া গ্রুপ। এই গ্রুপে সদস্যরা একটি গোপন বৈঠক করে।

বৈঠকে তারা সিদ্ধান্ত নেয়, সপ্তম সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের অর্থাৎ সিনিয়র ভাইদের তারা মান্য করবে না ও তাদের কথা শুনবে না এবং জুনিয়রদের নিয়ন্ত্রণেই চলবে ক্যাম্পাস। বৈঠক চলাকালে এমন একটি ভিডিও ক্যাম্পাসের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা পায়।

এ ভিডিও দেখে সপ্তম সেমিস্টারের (সিনিয়র গ্রুপ) শিক্ষার্থীরা অপমানবোধ মনে করে। নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যার দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে দুই গ্রুপের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে রাত ৯টার দিকে উভয় পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রথম সেমিস্টার অর্থাৎ জুনিয়র গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সিনিয়রদের ধাওয়া দেয়। এতে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ৪ শিক্ষার্থী আহত হন।

পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে আবারও শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে এই সংঘর্ষ। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সপ্তম সেমিস্টার শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। এই আলোচনা চলে দেড় ঘণ্টা। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় যে-সব শিক্ষার্থীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছে ও সংঘর্ষে অংশ নিয়েছে তাদের দুই দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর সেনাবাহিনী উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসা ও মেসে ফিরে যায়।

সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানায়, প্রথম সেমিস্টারের ছাত্ররা মেয়েদের ওয়াশ রুমে গিয়ে ধূমপান করে। বড়দের সম্মান করে না। এর আগে আমাদের ক্যাম্পাসে এমন ঘটনা কখনই ঘটেনি। তাদের ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো রাজনৈতিক দল নেই, গ্রুপিং নেই। তারা এসে পাঁচ বিভাগকে একটি করে জারুয়া গ্যাং নামে একটি গ্রুপখোলে। যেটা কিশোর গ্যাং। আমরা এটার বিরোধিতা করি এবং প্রতিবাদ করি।

ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বিষয়টি শুনে শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে আসে এবং শিক্ষার্থীদের শান্ত করি ও তাদের অভিযোগ গুলো শুনি। তবে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে তেমন বড় ধরনের ঘটনা ঘটেনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ইসলাম/টাঙ্গন টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

2 responses to “ঠাকুরগাঁও প,ই শিক্ষার্থীর দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-৪”

  1. Johnie Hazer says:

    I’m not sure why but this weblog is loading incredibly slow for me. Is anyone else having this problem or is it a problem on my end? I’ll check back later and see if the problem still exists.

  2. It’s really a great and useful piece of info. I’m glad that you shared this helpful information with us. Please keep us up to date like this. Thanks for sharing.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com
https://slotbet.online/
HTML Snippets Powered By : XYZScripts.com